পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে কাঠ ব্যবসায়ীকে হাত-পা বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
এ ঘটনায় পত্তাশী ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক মো. আ. মজিদ ফকির ও আওয়ামী লীগ নেতা মো. আলাম ফকিরকে মঙ্গলবার রাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ইন্দুরকানী উপজেলার পত্তাশী গ্রামের মো. আলী আকবারের ছেলে কাঠ ব্যবসায়ী আল আমিনকে হাত-পা বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় পিটিয়ে নির্যাতনের অভিযোগে ২নং পত্তাশী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হাওলাদার মোয়াজ্জেম হোসেন ও তার ছেলে সানীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে ইন্দুরকানী থানায় মামলা দায়ের করেন নির্যাতনের শিকার আল আমিনের পিতা আলি আকবার।
মামলা সূত্রে জানা যায়, আল আমিন একজন কাঠ ব্যবসায়ী। রোববার রাতে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় মাহফিল শুনে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে এজাহারনামীয় আসামিরা পূর্বশত্রুতার জের ধরে পরস্পর যোগসাজশে আল আমিনকে হত্যার উদ্দেশ্যে হাত-পা বেঁধে দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড, হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।
এরপর পুলিশে খবর দিয়ে একটি মেয়েকে দিয়ে মিথ্যা মামলা দেন। আল আমিন বর্তমানে পুলিশ প্রহরায় পিরোজপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অভিযুক্ত হাওলাদার মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, আগামী ইউপি নির্বাচন সামনে রেখে আমার বিরুদ্ধে একটি পক্ষ মিথ্যা মামলা সাজিয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
ইন্দুরকানী থানার ওসি মো. হুমায়ুন কবির জানান, আল আমিনের পিতা বাদী হয়ে ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এজাহার নামীয় ২ জনকে আটক করে ওই মামলায় বুধবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
<p>সম্পাদক: কাজী মফিজুল ইসলাম</p>
Copyright © 2026 বরিশাল প্রতিদিন. All rights reserved.