পটুয়াখালীর বাউফলে প্রেম সম্পর্কিত ঘটনার সালিশে গিয়ে কিশোরীকে বিয়ে করা সেই ইউপি চেয়ারম্যানকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার (২৮ জুন) রাতে অভিযুক্ত কনকদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদারকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
জানা গেছে, পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ৬ নম্বর কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহিন হাওলাদার সালিশ করতে গিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অপ্রাপ্ত বয়স্ক কিশোরীকে বিয়ে করেন। এ ঘটনায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ এর ৩৪ (৪) (ঘ) ধারার অপরাধ সংঘটিত করায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া কেন তাকে চূড়ান্তভাবে অপসারণ করা হবে না তা পত্র প্রাপ্তির ১০ কার্যদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার বিভাগে জবাব পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে। তাকে বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাকির হোসেন।
উল্লেখ্য, কনকদিয়া ইউনিয়নের নারায়নপাশা গ্রামের বাসিন্দা মো. রমজান (২৫) একই ইউনিয়নের চুনারপুল এলাকার অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু প্রেমের সম্পর্ক মেনে নিতে পারেননি মেয়েটির বাবা। তিনি বিষয়টি কনকদিয়া ইউপির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মো. শাহিন হাওলাদারকে জানান। পরে চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার আনুষ্ঠানিকভাবে ওই যুবক ও কিশোরীর বিয়ে দেয়ার কথা বলে কনকদিয়া ইউপি কার্যালয়ে সালিশ বৈঠকের আয়োজন করেন।
<p>সম্পাদক: কাজী মফিজুল ইসলাম</p>
Copyright © 2026 বরিশাল প্রতিদিন. All rights reserved.