স্টাফ রিপোর্টার / লকডাউনের ২য় দিনেও বরিশালে আইন শৃংখলা বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা লক্ষ করা গেছে। শুক্রবার ছুটির দিন থাকার পরও সড়কগুলোতে তেমন জন সমাগম দেখা যায়নি। তবে কিছু অটো রিক্সা সিএনজি চলতে দেখা গেলেও সেগুলো আটকে দিয়েছে পুলিশ। করা হয়েছে জরিমানা। জুমার নামাজের সময় নগরীর মসজিদগুলোতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাস্ক ব্যবহারের ব্যতিক্রমি প্রচারণা করা হয়েছে।
বরিশালে কঠোর লকডাউনের ২য় দিনেও সড়ক মহাসড়কগুলো প্রায় খালি ছিল। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া মানুষ খুব একটা বের হননি। দোকানপাঠ, শপিংমল ছিল বন্ধ। তবে ১ম দিনের তুলনায় নগরীতে গতকাল মটর সাইকেল ও ব্যাটারি চালিত অটো, সি এনজির সংখ্যাটি ছিল চোখে পড়ার মত। গন পরিবহন বন্ধ থাকলেও অলিতে গলিতে তিন চাকার গাড়ি গুলো যাত্রি পরিবহনের চেষ্টা করেছে। লকডাউন বাস্তবায়নে শুক্রবার সকালে জেলা প্রশাসন থেকে ২ টি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট- জাবেদ হোসেন চৌধুরী ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট- মোঃ মুশফিকুর রহমান। নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে ১১ জন ব্যক্তিকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
এদিকে বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস এর তৃতীয় ঢেউ থেকে বরিশাল নগরবাসীকে সুরক্ষিত রাখার প্রয়াসে ব্যতিক্রমি উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। পুলিশ কমিশনার বিএমপি মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম-বার এর নেতৃত্বে বিএমপি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জুম্মার নামাজের খুতবা পাঠের পূর্বে নগরীর ৩৭০টি মসজিদে স্বাস্থ্যবিধি পালন ও লকডাউন বাস্তবায়নে নগরবাসীকে উদ্বুদ্ধ করতে একযোগে সচেতনতা মূলক বক্তব্য প্রচার করেন।
<p>সম্পাদক: কাজী মফিজুল ইসলাম</p>
Copyright © 2026 বরিশাল প্রতিদিন. All rights reserved.