বরিশালের উজিরপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রকাশ্যে বসতঘর ভাংচুর, লুটপাট, নারীসহ ৫ জনকে কুপিয়ে যখম করেছে প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসীরা।
এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মামলা ও আহত সুত্রে জানা যায়, উপজেলার বড়াকোঠা ইউনিয়নের লস্কেরপুর গ্রামে ৪ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল সাড়ে ৮ টায় প্রতিপক্ষ মোখলেছ ঘরামি, শামিমুর রহমান নিলু ঘরামি, আলমগীর ঘরামি, রফিকুল ইসলাম সহ ১০/১৫ জন মিলে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পরিকল্পিতভাবে একই গ্রামের রোলন বেপারীর বসতঘর প্রকাশ্যে ভাংচুর, লুটপাট এবং স্কুল শিক্ষার্থীসহ একই পরিবারের ৫ জনকে কুপিয়ে রক্তাক্ত যখম করে ৫ লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
আহতরা হলেন- রোলন বেপারি, তার স্ত্রী খদিজা বেগম, মেয়ে কলেজ ছাত্রী নুপুর আক্তার, ভাতিজী স্কুল ছাত্রী তানজিলা আক্তার ও গৃহবধূ জাকিয়া বেগম।
খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক উজিরপুর উপজেলার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আলী আর্শাদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছেন।
এ ঘটনায় উল্লেখ্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী রোলন বেপারী বাদী হয়ে ঘটনার দিন উজিরপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করে। এরপর তাৎক্ষনিক পুলিশ অভিযান চালিয়ে হামলায় জড়িত মোখলেছ ঘরামী, শামিমুর রহমান নিলু ও রাকিব হাওলাদারকে গ্রেফতার করেছে।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালে স্থানীয় মান্নান ঘরামীর কাছ থেকে লস্কেরপুর মৌজার ৭৯নং খতিয়ানে ১১১ নং দাগে সাড়ে ১০ শতাংশ জমি ক্রয় করে ভোগ দখল করে আসছে রোলন বেপারি (৪২)। ওই সম্পত্তি ভোগ দখল করার জন্য জোর চেষ্টা চালায় প্রতিপক্ষ মোখলেছ ঘরামি গংরা।
অভিযুক্ত মোখলেছ বেপারী জানান, উক্ত সম্পত্তি আমাদের ক্রয়কৃত সম্পত্তি। ওই জমি নিয়ে আদালত থেকে ১৪৪ ধারা জারী করা হয়েছে। উল্টো রোলন বেপারি গংরা আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে বিরোধী সম্পত্তিতে কাজ শুরু করে তাতে আমরা বাধাঁ দিলে উল্টো তারা আমাদের উপর হামলা চালিয়েছে। তাদের হামলায় নিলু সহ আমি গুরুতর আহত হয়েছি।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আলী আর্শাদ জানান, বিষয়টি জানার পরে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছি এবং তিনজনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছি।
<p>সম্পাদক: কাজী মফিজুল ইসলাম</p>
Copyright © 2026 বরিশাল প্রতিদিন. All rights reserved.