থাইল্যান্ডের একটি চাইল্ড কেয়ার সেন্টারে বন্দুক হামলায় অন্তত ৩৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু বলে জানা যাচ্ছে। এরমধ্যে দুই বছরের এক শিশুও রয়েছে। হামলার পর হামলাকারী তার স্ত্রী ও সন্তানকে হত্যা করে এবং নিজে আত্মহত্যা করে। এ খবর দিয়েছে বিবিসি।
বৃহস্পতিবার দেশটির উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় নং বুয়া লামফু প্রদেশের উথাইসাওয়ান না ক্লাং জেলায় এই বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে। দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিহতদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। যত দ্রুত সম্ভব হামলাকারীকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। তবে এই ঘোষণার কিছুক্ষণ পরই হামলাকারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
জানা গেছে, হামলাকারী একজন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা। তবে তিনি কেনো এ হামলা চালিয়েছেন তা ধারণা করা যাচ্ছে না। তিনি ছুরি দিয়েও বেশ কয়েকজনকে আঘাত করেছেন বলে জানা গেছে।
হামলার পর তিনি একটি টয়োটা পিক-আপ ট্রাক নিয়ে পালিয়ে যায়। থাই পুলিশ জানিয়েছে, সম্প্রতি তাকে চাকরি থেকে বের করে দেয়া হয়। নং বুয়া লামফু প্রদেশের পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিহতের মধ্যে ২৩ শিশু রয়েছে।
থাইল্যান্ডে এ ধরণের বন্দুক হামলার ঘটনা বেশ বিরল। এর আগে দেশটিতে ২০২০ সালে এক সেনা সদস্য গুলি করে ২৯ জনকে হত্যা করেছিলেন।
<p>সম্পাদক: কাজী মফিজুল ইসলাম</p>
Copyright © 2026 বরিশাল প্রতিদিন. All rights reserved.