অর্থাভাবে চিকিৎসা বঞ্চিত হয়ে শিকল বন্দি করে জেলার গৌরনদী উপজেলার সালতা গ্রামের মানসিক ভারসাম্যহীন গৃহবধু নাজমা বেগমের চিকিৎসা সহায়তায় অর্ধলাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবু আব্দুল্লাহ খান নাজমার বাড়িতে গিয়ে তার বাবার হাতে সহায়তার অর্থ তুলে দিয়েছেন। বুধবার সকালে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে ইউএনও বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে মানসিক ভারসাম্যহীন শিকল বন্দি নাজমা বেগমের সংবাদ দেখে তার সুচিকিৎসার জন্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন প্রবাসী ৪৭ হাজার পাঁচশ’ এবং এক জনপ্রতিনিধি তার কাছে দুই হাজার পাঁচশ’ টাকা পাঠিয়েছেন। সমূদয় টাকা নাজমা বেগমের বাবার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ইউএনও আরও বলেন, গৃহবধু নাজমা বেগমকে সুচিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
অর্থবিতরণকালে অন্যান্যের মধ্যে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ রফিকুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান নুর আলম সেরনিয়াবাত, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী মোঃ আবদুল আলিম, অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট আবদুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বিগত তিনবছর পূর্বে স্বামীর মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন চার সন্তানের জননী নাজমা বেগম। এরপর দুই বছর যাবত নিজ বাড়িতে অর্থাভাবে বিনাচিকিৎসায় শিকল বন্দি হয়ে জীবন কাটছে গৃহবধু নাজমার।
<p>সম্পাদক: কাজী মফিজুল ইসলাম</p>
Copyright © 2026 বরিশাল প্রতিদিন. All rights reserved.