ঢাকা ১১ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৬শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২২শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৫:৫৬ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি, ২২ ফেব্রুয়ারি।। গোলের গুড়ে কোনো ক্ষতি নেই। আর চাহিদাও রয়েছে অনেক। তাই গোলের গুড়ের হাট বসেছে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায়। স্থানীয়সহ দেশের বিভিন্ন এলাকার ক্রেতাদের ভিড় পড়েছে এ হাটে। প্রতি মঙ্গলবার সাপ্তাহিক হাটে পৌর শহরের লঞ্চঘাট সংলগ্ন এলাকায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সারিবদ্ধভাবে বসে এ গুড় বিক্রি করছেন ব্যবসায়িরা। তবে তিন প্রকারের গুড়ের দামও তিন ধরনের। গোল চাষিদের তৈরি করা গুড় বড় কোনো প্লাস্টিকের বালতি, সিলভারের পাতিল, কলসে কিংবা মাটির হাড়িতে নিয়ে আসেন এ হাটে।
গোলের গুড় বিক্রেতারা বলেন, উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের নবীপুর, চাঁদপাড়া, ইসলামপুর, রজপাড়া, নাওভাঙ্গা ও মিঠাগঞ্জ গ্রামে ব্যাপক গোল গাছের বগান রয়েছে। এ গাছের তেমন পরিচর্যা করতে হয় না। তাছাড়া রোগ বালাইও নেই। তাই চাষিদের খরচও কম। বছরের চার মাস গোলের গুড় বিক্রি করে গোল গাছ চাষিরা বাড়তি আয় করে থাকেন। এলাকার সকল গোল গাছের বাগান প্রাকৃতিকভাবে জন্মায়।
গুড় বিক্রেতা বেল্লাল ঘরামি বলেন, গোলের গুড়ের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এই হাটে ৫ মন গুড়র এনেছি। এর মধ্যে ২ মন গুড় বিক্রি করেছে। অপর গুড় বিক্রেতা রসিদ খা বলেন, সে ১৫০ টাকা দরে দেড় মন গোলের গুড় বিক্রি করেছে। এ হাটে আরো ৫ কেজি বিক্রি হতে পারে বলে তিনি জানিয়েছেন।
গুড় ক্রেতা মো.ফেরকানুল ইসলাম বলেন, অন্যান্য গুড়ের চেয়ে আলাদা স্বাদযুক্ত, সাশ্রয়ী হওয়ায় এবং দীর্ঘদিন সংরক্ষিত থাকে বলে গোলের গুড়ের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
গোলগাছ চাষি নিঠুর হাওলাদার বলেন, এখন বাজারে গিয়ে গুড় বিক্রি করতে হয় না। একশ্রেণির খুচরা বিক্রেতারা বাড়ি এসেই গুড় নিয়ে যায়।
বন বিভাগের কলাপাড়া বন কর্মকর্তা আব্দুস সালাম বলেন, পরীক্ষামূলকভাবে বেশ কয়েকটি স্থানে গোলগাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। এতে ব্যাপক সফলতা পেয়েছি। এ গাছগুলো উপকূলীয় এলাকার প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে এই কর্মকর্তা জানিয়েছেন।


প্রকাশকঃ ডাক্তার জি.কে চক্রবর্তী।
সম্পাদকঃ কাজী মফিজুল ইসলাম।
প্রধান সম্পাদকঃ নুসরাত রসিদ।
নির্বাহী সম্পাদকঃ জাকিরুল মোমিন।
মোবাইলঃ 01711225620
মেইলঃ protidin.barisal@gmail.com
ঠিকানাঃ প্যারারা রোড, বরিশাল ৮২০০।
Design and developed by Engieer BD Network