খালখনন নিয়ে ক্ষুব্ধ চরমোনাইবাসী

প্রকাশিত: ৭:৫৮ অপরাহ্ণ, মে ২৯, ২০২১

খালখনন নিয়ে ক্ষুব্ধ চরমোনাইবাসী

চোরকে বলছে চুরি করতে
গৃহস্থ কে বলছ ধরে রাখতে।
এমনটাই ঘটেছে চরমোনাই, বরিশালের খাল পূনঃখনন কার্যক্রমে। এখানে সাতক্ষীরার একজন ঠিকাদারকে কাজের সমালোচনা ও খালের সীমানা বর্ধিত করার অভিযোগ গ্রামবাসীর।

২৯ মে শনিবার সকালে বরিশাল রিপোর্টাস ইউনিটি কার্যালয়ে আয়োজিত চরমোনাই ইউনিয়নের ডিঙ্গোমানিক ও রাজারচর মৌজার গ্রামবাসীর সংবাদ সম্মেলনে শেষের প্রশ্ন উত্তর এ উঠে এলো এই চিত্র।

৫৬ জন গ্রামবাসী সাক্ষরিত দুই পৃষ্ঠার লেখিত বক্তব্যের অভিযোগপত্র পাঠ করেন গ্রামবাসী মোফাজ্জল হোসেন।

এতে বলা হয়, পাউবি বরিশাল এর অধীনে ডিঙ্গোমানিক হতে রাজারচর পর্যন্ত ৪.৭০০ কিলোমিটার খাল পূনঃখনন কাজ চলছে। এবং ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ২৬ ফুটের খালটিকে ৫৫ ফুটে বর্ধিত করার অভিযোগ জানালেন এই বক্তব্যে।
গ্রামবাসী সিএস ও বিএস নকশা যাচাইয়ের অনুরোধ জানিয়ে বলেন, রেকর্ডকৃত সম্পত্তির উপর খালের সীমানা নির্ধারণ করে বিশাল ভেকু দিয়ে খালখনন করা হচ্ছে। এতে বসতবাড়ি, বাগান, পানের বরজসহ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হচ্ছে আমাদের।
তারা জানান, এতে ১২০০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জানিয়ে ইতোমধ্যে বরিশাল জেলা প্রশাসক বরাবরও আবেদন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ আবুল খায়ের গ্রামবাসীর পক্ষে আছেন বলে দাবী তাদের।
প্রশ্ন পর্বে গ্রামবাসীর পক্ষে মোফাজ্জল সাহেব বলেন, চেয়ারম্যান আমাদের এখানে পাঠিয়েছেন। তিনি প্রয়োজনে আমাদের সাথেই আসবেন।

কিন্তু সংবাদ সম্মেলনের আগে বা পরে কোথাও চেয়ারম্যান বা তার কোনো লোককে দেখা যায় নাই।
চরমোনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ আবুল খায়ের সেলফোনে জানান, গ্রামবাসীর অভিযোগ আমার জ্ঞানের আওতায়। আমি তাদের জনমত তৈরি করতে বলেছি। তারা এভাবে সংবাদ সম্মেলন করবে তা আমার জানা নেই।
তিনি বলেন, সরকারি জমিতে খালখনন হচ্ছে। ৫৫ ফিট নয়, এটা ৩০ ফিট। গ্রামবাসীর জায়গায় পরেনি বলেই জানি আমি। যদি গ্রামবাসীর জমি পরে যায় তাহলে আমি তাদের পাশেই থাকবো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ